ভারতের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সয়াবিন তেল আমদানি আগের বছরের তুলনায় ৬০ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছতে পারে। পাম অয়েলের তুলনায় সয়াবিন তেলের দাম তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো আমদানি বাড়াচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তাদের হিসাবে, সয়াবিন তেল আমদানি রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছলেও পাম অয়েলের ক্ষেত্রে তা নেমে যেতে পারে পাঁচ বছরের সর্বনিম্নে।
বিশ্বের বৃহত্তম ভোজ্যতেল আমদানিকারক দেশ ভারত। চলতি বছরের এ পর্যন্ত দেশটিতে সয়াবিন আমদানি ৩১ শতাংশ বেড়েছে। দেশটির এ ঊর্ধ্বমুখী আমদানিপ্রবণতার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলটির দাম বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে (অক্টোবরে শেষ হবে) ভারতের মোট সয়াবিন তেল আমদানির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫৫ লাখ টন। এটি আগের অর্থবছরের ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেশি।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছর পাম অয়েল আমদানি কমতে পারে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। মোট আমদানি নেমে আসতে পারে ৭৮ লাখ টনে, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের পর সর্বনিম্ন। এছাড়া সূর্যমুখী তেল আমদানি ২০ শতাংশ কমে ২৮ লাখ টন হতে পারে।
ব্যবসায়ীরা আরো জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের মোট ভোজ্যতেল আমদানি ১ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৬১ লাখ টনে পৌঁছতে পারে।
ভারতের সলভেন্ট এক্সট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক বিবি মেহতা জানান, চলতি বছর পাম অয়েলের দাম অনেক বেশি থাকার কারণে ক্রেতারা সয়াবিন তেল ক্রয়ে বেশি ঝুঁকেছেন।